নির্বাচিত কবিতা সংকলন
**আমার আকাশ** মোঃ আব্দুল্লাহ কিছু কথা তোমায় হয়তো কখনো হয়নি বলা, ছোটবেলা থেকে হাত ধরে তুমি শিখিয়েছ পথ চলা। অভাব বুঝতে দাও না তুমি, পূরণ করো সব বাসনা। আমার অভাব পূরণই যেন তোমার এক মাত্র সাধনা। কখনো বুঝতে দাও না তুমি সংসার কেমন চলে, তোমায় ছাড়া মনে হয় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। দোয়া করো বাবা, তোমায় যেন বুঝতে না দেই কষ্ট। গর্বে যেন বলতে পারো তোমার সন্তানই শ্রেষ্ঠ। কবি: শিক্ষার্থী, একাদশ বিজ্ঞান, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা
**পথশিশু** সৌরভ রায় কত নিশিকাল বাহিত হয় প্রবল শৈত্যপ্রবাহে, ফুটপাতে পাতানো শুয়ে কাঁপতাম, ক্ষুধায় কাতর হয়ে। শুয়ে শুয়ে ভাবি, ওহে বিধাতা, কোন বা পাপের ফলে পুড়িয়েেছো আমায় তব রোষানলে ভাগ্যের তীব্র অনলে। চেপে রেখে বুকে অসীম ব্যথা, মাথা পেতে নিয়ে কত না লাঞ্ছনা, জীবন জুড়ে বয়ে অবিরাম যন্ত্রণা— ভালো থাকাটা বোধ হয় আমার অধিকার না। এই শহর আমার বড়ই আপন, শুধু আমি শহরের পর! লাখো কংক্রিট ইট-পাথরের মাঝে এই রাজপথ আমার ঘর। আমাকে কি চেনো তোমরা? আমি থাকি এই নগরীর কোণায় কোণায়, ঠিকানা আমার অজানা নয়— পথশিশু আমার পরিচয়। কবি: শিক্ষার্থী, বিবিএ (সম্মান), তৃতীয় বর্ষ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**ইচ্ছে করে** তানজীব এনাম প্রত্যয় আমার বড়ই ইচ্ছে করে লিখতে কবিতার ছড়া, আব্বু বলেন, “সকাল থেকে হয়নি কেন পড়া?” ছড়া লেখার জন্য যখন কলম নিলাম হাতে, আম্মু এসে দিলেন ধমক, “পড়তে হবে রাতে!” পড়তে আমার মন বসে না, মন চলে যায় দূরে, ইচ্ছে করে কলম ছুঁই পাতার পাতার সুরে। ছড়াকার: শিক্ষার্থী, একাদশ বিজ্ঞান, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**বর্ষাকাল** সেমবাতুল্লাহ সিদ্দিকী সিয়াম বর্ষা বর্ষা বর্ষা, ওহে অতুল্য ঋতু বর্ষা! আষাঢ়ে আসো, শ্রাবণেও থাকো, রূপ যে দেখাও সে কত! ঐ নীল আকাশে সাদা মেঘ ভাসে, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ে, বৃষ্টির জলে, জলাশয় ভরে, শোনা যায় ব্যাঙের গান। বর্ষার জলে, থই থই করে, কিশোরেরা বানায় ভেলা, সাঁতার কেটে জলে লাফিয়ে কেউ কেউ করে খেলা। সেই জলে শাপলা ফোটে, কিশোরীরা বানায় মালা, সখীর সঙ্গে গল্পে গল্পে পেরিয়ে যায় যে বেলা। মাঝি ভাই বায় তরী, লাল-সবুজ দাঁড় তুলি, কতই না অপরূপ তুমি, ওহে প্রিয় ঋতু বর্ষা। কবি: শিক্ষার্থী, স্নাতক (সম্মান), প্রথম বর্ষ, অর্থনীতি বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**বিদ্যা জ্ঞানের সরণি** আতিফা খাতুন নাহার ম — মত্ত অগ্নেয় আলোয় দীপ্তিমান সে দ্বার, র — রবের করুণায় তাহারই কত নব প্রাণ হয়েছে অগ্রসর, ক — কলি দিয়ে নয়, বিদ্যা দিয়ে লিখেছে সুপ্রভ ভবিষ্যৎ, র — রক্ত নয়, মঙ্গল জ্ঞানই সদা অম্লান, শপথে বলীয়ান। এ — এ ভুবনের পাতায় আঁকা বৃক্ষশোভিত সবুজের ছাপবিন্দু, ড — ডগমগে ভুবনের নকশায় যেন ভেসে ওঠে তার মহাকাল কৃপাসিন্ধু, ও — ওঁচা নয়, তরুণ প্রাণেরা সুদীপ্ত উল্লাসে ওঠে মেতে, য়া — বা শব্দ করে নয়, নিঃশব্দে নব সুখের সন্ধান কিংবা মোহময় সংকেতে, ড — ডগা থেকে শুরু করে তুলে ওঠে নকশা অবিচল দৃঢ়তার সংগীতে। ক — কত সুখ কত কাতরতা তোমার স্মৃতি-রোমন্থনে, ল — লেখ্য ভাষায় সে সব আবেগ মেলা ভার, জ — জন্মাবধি লিখিত-অলিখিত সব ভালোবাসা তোমার। পা — পারবো না জ্ঞানের তৃষ্ণা মিটাতে আমি ভ্রান্তির ছলে, ব — বহু স্থূল এ ভুবনে, বিদ্যা অন্ধকার সরিয়ে সুরের আলো পারে জ্বালাতে, না — নানা উপায়ে বিদ্যা মানুষকে জ্ঞানী করে গড়ে তোলে। কবি: শিক্ষার্থী, দ্বাদশ মানবিক, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা
**আরোধনা** বায়েজিদ বোস্তামী আমাকে তোমার না ভাবো — আমায় তুমি চন্দ্র, নক্ষত্র ভাবতে পারো। অন্ধকার রাতে পথ দেখাবো, ভয়ে তোমার সঙ্গী হবো। নাই বা ভাবো আমায় কোনো প্রেমময় বর্ষায়, আমায় তুমি ভাবতে পারো, তোমার মাথার উপর অহেতুক এক ছাতা। আমায় তুমি হেলায় রেখো, যেমন রাখো তোমার পাশে সবটা পড়া পুরানো বইয়ের মত, আমায় না হয় ধুলো হয়ে বাঁধতে দিও, তাদের সাথে খানিক জমাট। আমায় তুমি কিছু একটা ভাবো, কোথাও না কোথাও একটু জায়গা করে রেখো। ছেলেবেলার বুক-পকেটে যেমন রাখতে আধুলি, কৈশোরে কেনা সাইকেলে তুমি যেমন বাজাতে ধ্বনি, চাইলেই আমায় ডাকতে পারো তেমন করে তুমি। ঘোরের মাথায় প্রথম যেদিন নিকোটিনের ধোঁয়া উড়ালে তুমি, তাদের সাথে আমায় না হয় গোপন করে রেখো একটু। তবুও তুমি আমার কথা অল্প হলেও ভাবো, খানিক না হয় জায়গা করে একটু রেখো। ---
**বিরহের প্রতিচ্ছবি** মোঃ সোহান হোসেন আমার আর বাঁচার ইচ্ছে নাই, জরাজীর্ণ এই পৃথিবীতে। যদি সুখের দেখা না পাই, মাথার উপর নাই থাকে ছাদ, এ কি নিদারুণ কষ্ট, পথ খুঁজে পাই না আর। আমার এ অর্জন, শুধুই কি আমার? তোমার যে প্রেরণা, শুধুই কি ম্লান? তোমার কাছেই তো আমার হাতেখড়ি সব, তোমার প্রেরণাতেই আমি, সব পেয়েছি আজ। কোনো কিছুই থেমে নেই, চলছে নিরবিচ্ছিন্ন, সবকিছু আছে, শুধু নেই তুমি। তোমাকে দেখি না, কত দিন হলো, খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত আমি। তুমি যে বলতে, কিছুই পারি না আমি, এখন তো সব একাই করি। তোমার অনুপস্থিতি আজ হৃদয়ে যেন শূন্য সাজ। জানি তুমি আসবে না কোনো দিন আর, তবু তোমার অপেক্ষায় কাটছে সময়। যেতে হবে জানি সবারই একদিন, তবুও তুমি কেন এতটা তাড়াতাড়ি গেলে? যেখানে থেকো ভালো থেকো, তোমাকে দেখার অপেক্ষায়, প্রহর গুনি। সেদিন বলবো আমি, এই পৃথিবীর জরাজীর্ণ কাহিনি। কবি: শিক্ষার্থী, স্নাতক (সম্মান), দ্বিতীয় বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**মা আমার মাটি** মোঃ জাকিউল হক মা আমার মাটি — স্নেহের অবারিত ঢেউ, তার কোলে শুয়ে শুনেছি গল্প, স্বপ্ন বুনেছি ঢেউ-ঢেউ। তারই বুকে খেলেছি খেলা, কেটেছে শৈশবকাল, মাটির গন্ধে মিশে আছে মায়ের মমতার জাল। মা আমার মাটি — নরম তার বুক, তার দুধে গড়ে উঠেছে জীবনের সব সুখ। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, সন্তানদের রাখে সে আড়াল করে পাখির মতো। মা আমার মাটি — ত্যাগের অপর নাম, যে মাটিতে বুনি আশা, ফোটে ভালোবাসার দাম। এই মাটিতেই শুয়ে আছে কত শত বীর, যাদের রক্তে রাঙা হয়েছে প্রান্তর আর নীর। মা আমার মাটি — একেই তো বলি, তার ভালোবাসায় পাই জীবনের রঙতুলি। যে মাটি দেয় দান, যে মা দেয় প্রাণ, দুজনেই আমার আশ্রয়, আমার জ্ঞানের স্থান। মা আমার মাটি — কোমল আর ধৈর্যভরা, তার কোলে পাই শান্তি, আশ্রয় সোনাঝরা। ঝড়ে যখন দুলে যায় জীবনের গাছ, মায়ের ছোঁয়ায় থেমে যায় সব কাঁপন, সব আঁচ। মা আমার মাটি — মা আমার প্রাণ, তার কোলে গাই আমি শান্তির গান। জীবন ফুরোলেও এ হৃদয় বলে — মা, তুই আছিস মাটির ঘরে, আর আছিস মা তুই আমারই অন্তরে। কবি: শিক্ষার্থী, স্নাতক (সম্মান), চতুর্থ বর্ষ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**জুলাইয়ের স্বপ্নের হিসাব** বেলাল শেখ রাতের আগুনে আমরা দেখেছিলাম স্বপ্ন, যেখানে ন্যায়ের সূর্য উঠবে, প্রতিটি কণ্ঠে ধ্বনিত হবে স্বাধীনতার সুর, রক্তে ভেজা রাস্তায় আমরা লিখেছিলাম প্রতিজ্ঞা, যেখানে জুলুমের শিকল ভাঙবে, অন্যায় জুলুম পুড়ে ছাই হবে জুলাইয়ের দ্রোহে। কিন্তু আজ প্রশ্ন জাগে — সে স্বপ্ন কতটুকু পথ পেরিয়েছে? নাকি কেবল মুখোশ বদলে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের অবস্থানেই আরেক? কতটা সত্য হলো শহীদদের রক্তের দাবি? কতটা ন্যায় পেলো অপেক্ষারত শহীদ মায়ের চোখ? তবুও অর্ধ-আলোতে অন্ধকার ভাঙে! জুলাই আমাদের শিখিয়েছে — বাঁচতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হয়। স্বপ্ন শুধু জাগতে নয় — বাস্তবে রূপান্তর করতে হলে প্রতিদিন দাঁড়াতে হয়, প্রতিদিন প্রশ্ন করতে হয়। কবি: শিক্ষার্থী, স্নাতক (সম্মান), প্রথম বর্ষ, ইতিহাস বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা
**বুদ্ধিজীবী** মোঃ সাগর আলী ঘুম যখন ছুঁয়েছে আঁখিতে আঁখিতে, মুয়াজ্জিনের আজান ও পাখির কিচিরমিচির শুরু হওয়ার বেশ কিছু আগ মুহূর্তে হায়েনার ঘাতকের বুলেটে ঝরে গেছে এক হাজার সত্তর উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রাণ। চারিদিকে নির্জন, অন্ধকার, চিৎকার, নিরাশা আর হাহাকার, ঘাতকের বুলেটে ঝরে গেছে জ্ঞানী, গুণী মানুষের প্রাণ। হায়েনারা চেয়েছিল বাংলাকে অন্ধকারে পরিণত করতে, তাইতো বিছিয়েছিল ভয়ানক বুদ্ধির জাল। বাংলার মানুষের নয়নে ছিল অশ্রু, ছিল প্রতিশোধের তীব্র আগুন, গর্জে উঠে বাংলার মানুষ, মুক্তির দিশা দিতে। ভুলেনি বাংলার মানুষ আজও ১৪ই ডিসেম্বরের ইতিহাস, তাই দীপ্ত কণ্ঠে আওয়াজ তোলে, গায় শহীদ বুদ্ধিজীবীর গান। কবি: শিক্ষার্থী, স্নাতক (সম্মান), প্রথম বর্ষ, ইতিহাস বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**এসেছে ফাগুন** মোছাঃ মিতা খাতুন সেদিনের কথা কি মনে পড়ে? যেদিন আলো বন্ধ করে দিয়েছিল জোনাকি। মাসটি ছিল ফাগুন, জ্বলছিল বাংলার বুকে আগুন। মাতৃভাষা বাংলার দাবি নিয়ে মিছিল বের হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, সবার মুখে একটাই বাণী— “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” তাই জানি। কিন্তু সে দাবি হয় না মানা, শুধু দেওয়া হয় যন্ত্রণা। ফাগুনে যেমন ফোটে পলাশ, তেমনি ঝরছিল বাংলার বুকে লাশ। রফিক, শফিক, বরকত ও নাম না জানা তরুণের রক্তে আঁকা হয়েছিল আলপনা। আবার এসেছে ফাগুন, তাই মনের মাঝে করছে গুঞ্জন— “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।” কবি: শিক্ষার্থী, একাদশ মানবিক, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**নিস্তব্ধ নিশীথের স্বপ্ন** মোঃ রাজু আহমেদ নিস্তব্ধ নিশীথে চাঁদের আলোয় হেলান দিয়ে আকাশের তারা-ছোঁয়া দেখি, এ যেন তারা-ছোঁয়া নয়, এ যেন প্রেমিকের বেদনার ঘোষণা, এ যেন হাওয়ার সুরে গোপন কথা— মন বলে যায়, শুধু সেই শোনে না। নিশীথের চাঁদ-ভাঙা আলো, জ্যোৎস্না জড়ানো বাতাসের সুরে লুকানো কণ্ঠে শূন্যতার মাঝে বাজে মৃদু গান, এ যেন স্মৃতির পাতায় লেখা অমর কবিতা। হৃদয় দেখে, ছায়া ভেসে আসে তার, সে সরলতার কোলে লুকানো নীরবতা। নিস্তব্ধতার ভিতর বাজে একটি সুর, যা শুধু হৃদয় শোনে, আর কেউ শোনে না। স্বপ্ন আসে, স্বপ্ন যায়, তবু রাত শেষ হয় না, যা শুধু হৃদয় বোঝে, আর কেউ বোঝে না। চাঁদের আলোয় ভিজে গেছে পথ, নিশীথের ঘ্রাণে মিশে আছে অমর ভালোবাসা, যে হারিয়েছে তার চোখে ভেসে ওঠে আগুন। হারানো হাত ধরে একা হাঁটি, ভোরের আলো ধীরে ধীরে ভেঙে আনে আশা, নিশীথের স্বপ্ন চিরকাল বাঁচে নীরবতার কোলে, হৃদয়ের গভীরে। কবি: শিক্ষার্থী, স্নাতক (সম্মান), চতুর্থ বর্ষ, বাংলা বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা ---
**বিরহেই ভালো থাকি** কাওসার হোসেন তবুও আমরা বিরহেই ভালো থাকি, সেধে গিয়ে করি দুঃখ-নদীতে স্নান। দুঃখের সাথে এতো সখ্যতা আমাদের, সুখ রেখে করি দুঃখের আহ্বান। স্বর্গ রেখে নরক খুঁজি, সুখ রেখে দুখ। আকর্ষণ তো সেই বেশি করে, যে নারী স্বরূপে কামুক। ভালোবাসা রেখে সুখকে খুঁজি, ক্ষণিকের মোহ মায়া। শান্তি আর সুখ এক যে নয়, এ যেন আমাদের ভীষণ অজানা। যে নারী মোরে দিতে পারে স্বরূপে উদ্দাম সুখের স্বাদ, সে নারী জীবনে এনে দিতে পারে কি সুখ ও শান্তি একই সাথে? একজন হয়তো শান্তি সাধে, আরেক জনে সুখ, বোকা মন তবে ঠিকই বেছে নেয় ক্ষণিকের আস্বাদ সুখ। শান্তি যদিও দীর্ঘস্থায়ী, তবু তাতে অবহেলা, সুখের জন্য কত সংগ্রাম দিনরাত বেলা। ক্ষণিকের সুখ শেষ হয়ে হয় বিরহের অভিযান, তবুও যেন এ সুখ কখনো হয় না অম্লান। তবুও আমরা বিরহেই ভালো থাকি, যদিও বিরহ হয় না আপন, কিন্তু যে জন বিরহে ভাসালো, সে তো আপন জন! কবি: শিক্ষার্থী, মাস্টার্স (শেষ পর্ব), অর্থনীতি বিভাগ, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা